২৭-১২-২০১৪
‘নিউদিল্লী’ রেলস্টেশনে এসে পৌঁছালাম দুপুর তিনটে নাগাদ। কলকাতা থেকে এসেছি ‘হাওড়া-নিউদিল্লী রাজধানী এক্সপ্রেস’ ট্রেনে করে। কলকাতা থেকে দিল্লী পর্যন্ত ১৭টিরও বেশী ট্রেন আছে। ভাড়া সর্বনিম্ন ৩৫০ থেকে সর্বচ্চো ৪,৮০০ রুপি । আমি ঢাকা থেকে ‘থ্রী-টায়ার’ ক্লাসের ২০৭০ রুপির টিকিট এক ট্রাভেল এজেন্সি থেকে কেটেছিলাম ৩,৪০০ টাকায়। কলকাতা থেকে ‘স্লিপার’ ক্লাসের টিকিট কাটলে খরচ পড়তো ৬০৫ রুপি। আমার ১৩,০০০টাকার ট্যুর খরচ এক ধাক্কায় কমপক্ষে ৪,০০০টাকা কমে নেমে আসতো ৯,০০০টাকারও নীচে। যাইহোক, নিউদিল্লী রেলস্টেশনে ট্রেন থেকে নেমে এক বাঙ্গালী ভদ্রলোকের সহায়তায় মেট্রো স্টেশনটি খুঁজে পেলাম। নিউদিল্লী স্টেশনের ১৬নং প্ল্যাটফর্ম দিয়ে বাইরে বের হলেই মেট্রো স্টেশন। সেখানে মাটির নিচে ঢুকে ৮ রুপির ‘চাউরি বাজার’ এর টিকিট কাটলাম। এটি হলুদ লাইনের মেট্রো। টিকিট কাটা শেষে লাইনে দাঁড়াতে হয় পুরো শরীর আর লাগেজ চেক করার জন্য। চেকিং শেষে কয়েক ধাপের চলন্ত সিঁড়ি বদলে ঢুকে গেলাম মাটির আরো নীচের প্লাটফর্মে। সঙ্গে সঙ্গে ট্রেন আসলো। রাশ আওয়ারে প্রতি ২০সে. পরপর ট্রেন আসে। উঠে পড়লাম মেট্রোতে। পরের স্টপেজই ‘চাউরি বাজার’। আসতে এক মিনিটও লাগলো না। ‘চাউরি বাজার’ স্টেশনটি দিল্লীর সবথেকে গভীরের মেট্রো স্টেশন। এটি মাটির ৯৮ফিট নীচে অবস্থিত। এতো নীচের আলো ঝলমলে একটা স্টেশন দেখলে সত্যিই অবাক হতে হয়। ট্রেন থেকে নেমে কয়েকবার চলন্ত সিঁড়ি বদলে মাটির উপরে উঠে এলাম। আর সুরঙ্গ থেকে বের হয়ে যা দেখলাম তা হচ্ছে এই এলাকাটি পুরানো ঢাকার ‘শাঁখারী বাজারের’ চাইতেও ঘিঞ্জি একটি জায়গা।
‘নিউদিল্লী’ রেলস্টেশনে এসে পৌঁছালাম দুপুর তিনটে নাগাদ। কলকাতা থেকে এসেছি ‘হাওড়া-নিউদিল্লী রাজধানী এক্সপ্রেস’ ট্রেনে করে। কলকাতা থেকে দিল্লী পর্যন্ত ১৭টিরও বেশী ট্রেন আছে। ভাড়া সর্বনিম্ন ৩৫০ থেকে সর্বচ্চো ৪,৮০০ রুপি । আমি ঢাকা থেকে ‘থ্রী-টায়ার’ ক্লাসের ২০৭০ রুপির টিকিট এক ট্রাভেল এজেন্সি থেকে কেটেছিলাম ৩,৪০০ টাকায়। কলকাতা থেকে ‘স্লিপার’ ক্লাসের টিকিট কাটলে খরচ পড়তো ৬০৫ রুপি। আমার ১৩,০০০টাকার ট্যুর খরচ এক ধাক্কায় কমপক্ষে ৪,০০০টাকা কমে নেমে আসতো ৯,০০০টাকারও নীচে। যাইহোক, নিউদিল্লী রেলস্টেশনে ট্রেন থেকে নেমে এক বাঙ্গালী ভদ্রলোকের সহায়তায় মেট্রো স্টেশনটি খুঁজে পেলাম। নিউদিল্লী স্টেশনের ১৬নং প্ল্যাটফর্ম দিয়ে বাইরে বের হলেই মেট্রো স্টেশন। সেখানে মাটির নিচে ঢুকে ৮ রুপির ‘চাউরি বাজার’ এর টিকিট কাটলাম। এটি হলুদ লাইনের মেট্রো। টিকিট কাটা শেষে লাইনে দাঁড়াতে হয় পুরো শরীর আর লাগেজ চেক করার জন্য। চেকিং শেষে কয়েক ধাপের চলন্ত সিঁড়ি বদলে ঢুকে গেলাম মাটির আরো নীচের প্লাটফর্মে। সঙ্গে সঙ্গে ট্রেন আসলো। রাশ আওয়ারে প্রতি ২০সে. পরপর ট্রেন আসে। উঠে পড়লাম মেট্রোতে। পরের স্টপেজই ‘চাউরি বাজার’। আসতে এক মিনিটও লাগলো না। ‘চাউরি বাজার’ স্টেশনটি দিল্লীর সবথেকে গভীরের মেট্রো স্টেশন। এটি মাটির ৯৮ফিট নীচে অবস্থিত। এতো নীচের আলো ঝলমলে একটা স্টেশন দেখলে সত্যিই অবাক হতে হয়। ট্রেন থেকে নেমে কয়েকবার চলন্ত সিঁড়ি বদলে মাটির উপরে উঠে এলাম। আর সুরঙ্গ থেকে বের হয়ে যা দেখলাম তা হচ্ছে এই এলাকাটি পুরানো ঢাকার ‘শাঁখারী বাজারের’ চাইতেও ঘিঞ্জি একটি জায়গা।


বাংলাদেশ থেকে আসার আগে আমি একটি হোটেলের ঠিকানা নিয়ে এসেছিলাম। অনেক খুঁজে খুঁজে সেটি বের করলাম। দিল্লী জামে মসজিদের ১নং গেটের পাশে অবস্থিত হোটেলটির নাম হচ্ছে ‘HOTEL SHAN’. সরু এবং লম্বা একটা সিড়ি বেয়ে হোটেলের দ্বোতলায়
উঠতে হয়। সেখানেই রিসিপশন। সিঙ্গেল রুম খালি না থাকায় একটা ডাবল রুম নিলাম দৈনিক চারশ রুপি ভাড়ায়। সাথে ৫০রুপির RC খরচ। রুমে ঢুকে ফ্রেশ হয়ে বাইরে বের হলাম।


নোট*(‘নিউদিল্লী’ স্টেশনের পাশে অনেক হোটেল আছে। কিন্তু আমি শুনেছি সেখানে ঠগ-জোচ্চর লোকের সংখ্যা বেশি। এজন্য পুরানো দিল্লী থাকাটাই ভালো। পুরানো দিল্লীতে হোটেল খরচ অনেক কম। অবশ্য মানও তেমন আহামরি কিছু না। তবে পুরানো দিল্লীতে থাকার সবচেয়ে বড় সুবিধা হচ্ছে এখানে দিল্লী জামে মসজিদ, লাল কেল্লা, চাঁদনী চক সহ বেশ কিছু দর্শনীয় স্থান একেবারে হাতের নাগালের মধ্যেই। তাছাড়া এখানে খাবারের হোটেলগুলিতে মুসলিমদের প্রাধান্যই বেশি। যাদের পূর্বপুরুষেরা মোঘল সম্রাটদের বাবুর্চি ছিল।)


জামে মসজিদের ১নং গেটের পাশে অবস্থিত বিখ্যাত সব খাবারের দোকানগুলি। তার মধ্যে সবথেকে বিখ্যাত “করিম’স”-এ ঢুকলাম রাতের খাবার খাওয়ার জন্য। দোকান জুড়ে শুধুই সাদা চামড়ার বিদেশী। মেন্যু কার্ড দেখে যে খাবারের অর্ডার দিলাম সেটি নেই। বাধ্য হয়ে চিকেন বিরিয়ানি নিলাম। যতোটা প্রত্যাশা নিয়ে মুখে দিলাম ঠিক ততোটাই আশাহত হতে হলো। স্বাদ খুব বেশি ভালো লাগেনি। তাছাড়া দামও খুব বেশি। আমার মনে হয় দিল্লীবাসী যদি একবার ঢাকার কোন ‘ছালাদিয়া’ টাইপ হোটেলের বিরিয়ানি দূরে থাক, তেহেরিও মুখে দেয় তাহলে তারা তাদের দেশের বিখ্যাত হোটেলগুলির বিখ্যাত বিরিয়ানির দিকে আর ফিরেও তাকাবে না।
রাতের খাওয়া শেষে হোটেলে ফেরত এসে খুব দ্রুত ঘুমিয়ে পড়লাম। কারণ পরদিন ভোর থেকে আমার দিল্লী পরিক্রমা শুরু হবে।
২৮-১২-২০১৪
খুব ভোরে ঘুম থেকে উঠে ফ্রেশ হয়ে হোটেল থেকে বের হলাম এবং বের হয়ে যে জিনিসটি দেখলাম সেটি হচ্ছে কিছুই দেখা যাচ্ছে না। ভয়াবহ কুয়াশা এবং প্রচন্ড ঠান্ডা। কুয়াশার পরিমান এতোই বেশি যে নিজের হাত-পা পর্যন্ত দেখা যাচ্ছে না। পরে জেনেছিলাম ঐ দিন দিল্লীর তাপমাত্রা ছিল ৩ডিগ্রীরও নীচে।
দিল্লীতে ঘুরে বেড়ানোর জন্য বিভিন্ন কোম্পানির বাস রয়েছে। নির্দিষ্ট সময়ে এই বাসগুলি নির্দিষ্ট জায়গা থেকে টুরিস্টদেরকে তুলে নিয়ে সারাদিন বিভিন্ন দর্শনীয় জায়গা ঘুরিয়ে আবার নির্দিষ্ট জায়গায় নামিয়ে দেয়। তবে কেউ যদি নিজের মতো ঘুরতে চায় তবে কোন ট্যাক্সি বা অটোতে না ওঠায় ভালো। কারণ সেগুলিতে খরচ যেমন বেশী, তেমনি ঠকে যাবার সম্ভাবনাও বেশী। এই ট্যাক্সি বা অটোওয়ালারা টুরিস্টদেরকে শুধুই তাদের নির্ধারিত দোকানগুলিতে নিয়ে যাবে এবং সেখান থেকে চড়া দামে জিনিস-পত্র কিনতে বাধ্য করবে।
আমার মতে দিল্লী ঘোরার জন্য সবচেয়ে প্রয়োজনীয় বাহন হচ্ছে ‘দিল্লী মেট্রো’। এটির মাধ্যমে খুব অল্প খরচে অর্থাৎ ৮ থেকে ৩০রুপির মধ্যে সবচে কম সময়ে এবং সবচেয়ে আরামদায়কভাবে গন্তব্যে পৌঁছানো যায়। দিল্লীতে মোটামুটি ১৫মিনিট হাঁটলে কোন না কোন মেট্রো স্টেশন পাওয়া যায়। আমি ‘সেন্ট্রাল সেক্রেটারিয়েট’ স্টেশনে মেট্রোতে করে দিল্লী ভ্রমনের ম্যাপ খুঁজে পেয়েছিলাম।


দিল্লীর মেট্রোরেল হলুদ, কমলা, লাল, নীল, সবুজ ও বেগুনি এই ছয়টি লাইনে বিভক্ত। এছাড়া আরো কয়েকটি লাইনের কাজ চলছে। স্টেশনগুলির বেশিরভাগই মাটির ৩০থেকে ৪০ফুট উপরে। তবে মাটির ৭০থেকে ৮০ফুট নীচের স্টেশনের সংখ্যাও কম নয়। এর যেকোন একটি লাইনের ট্রেনে উঠলে যেকোন লাইনের যেকোন স্টেশনে যাওয়া সম্ভব। ধরুন আপনি ‘চাউরি বাজার’ স্টেশন থেকে ‘খান মার্কেট’ স্টেশনে যেতে চান। ‘চাউরি বাজার’ হলুদ লাইন আর ‘খান মার্কেট’ বেগুনি লাইনের মেট্রো। ‘চাউরি বাজার’ থেকেই ‘খান মার্কেট’ পর্যন্ত টিকিট কাটতে হবে। হলুদ লাইন আর বেগুনি লাইন যেখানে মিলেছে সে স্টেশনটির নাম হচ্ছে ‘সেন্ট্রাল সেক্রেটারিয়েট’। ‘চাউরি বাজার’ থেকে ট্রেনে উঠে ‘সেন্ট্রাল সেক্রেটারিয়েট’ স্টেশনে নামতে হবে। সেখানে হলুদ লাইনের প্ল্যাটফর্ম বদলে বেগুনি লাইনে গিয়ে আবার ট্রেনে উঠতে হবে। তারপর ‘খান মার্কেট’ স্টেশন আসলে নামতে হবে সেখানে।

আমি মেট্রোতে করে যেভাবে দিল্লী ঘুরেছি
১। জামে মসজিদঃ এটি দেখার জন্য নামতে হবে ‘চাউরি বাজার’ স্টেশনে। তারপর কারো কাছে জিজ্ঞাসা করলেই ৫মিনিট হেঁটে পৌঁছানো যাবে জামে মসজিদে। আমার দেখা সবচেয়ে বিশাল এবং সবচেয়ে সুন্দর মসজিদ এটি। ৬০টি সিঁড়ি বেয়ে উপরে উঠতে হয়। একসাথে ১০,০০০মানুষ নামায আদায় করতে পারে এখানে। সামনের খোলা অংশটিতে ঘুরে বেড়াচ্ছে হাজার হাজার কবুতর । মসজিদ থেকেই এই কবুতরগুলিকে খাবার দেয়া হয়। এ মসজিদে আছে দু’টি সুউচ্চ মিনার । ৩০রুপির বিনিময়ে ২০২টি সিঁড়ি ভেঙ্গে চিপা টানেল দিয়ে এর চূড়ায় পৌঁছালে চোখের সামনে ভেসে উঠবে পুরো পুরানো দিল্লী।







২। মীনা বাজারঃ জামে মসজিদের মধ্যখানের গেট দিয়ে বের হলেই মীনা বাজার। ঢাকার গুলিস্তানের ফুটপাতের হকার্স মার্কেটের মতো দেখতে এ বাজারে নাকি একসময় মোঘল সম্রাট এবং সম্রাজ্ঞীরা ঘুরে বেড়াতো।
৩। চাঁদনি চকঃ দিল্লীর প্রধান রেলস্টেশন দু’টি। একটি হচ্ছে ‘দিল্লী স্টেশন’ আর অন্যটি ‘নিউদিল্লী স্টেশন’। ‘নিউদিল্লী স্টেশন’টির মেট্রো স্টেশন হচ্ছে ‘নিউদিল্লী’ এবং ‘দিল্লী স্টেশন’টির মেট্রো স্টেশন হচ্ছে ‘চাঁদনি চক’। পুরানো দিল্লীর অলিগলি ভরা বড় বড় বাজার এবং মেয়েদের চোখ ধাঁধানো পোশাকের দোকানগুলি সব এ এলাকাতেই।
৪। লাল কেল্লাঃ লাল কেল্লায় যেতে হলে নামতে হবে ‘চাঁদনি চক’ স্টেশনে। সেখান থেকে ৫মিনিট হাটলেই পৌঁছানো যাবে লাল কেল্লা। ভারতীয় হিসাবে ১৫রুপির টিকিট কেটে লাহোর গেট দিয়ে ঢুকে পড়ুন কেল্লার ভিতরে।













৫। কুতুব মিনারঃ দিল্লী বললেই চোখের সামনে যে দুটি জিনিস ভেসে ওঠে তার একটি হচ্ছে ‘দিল্লীকা লাড্ডু’ আর অন্যটি হচ্ছে ‘কুতুব মিনার’। কুতুব মিনার যেতে হলে নামতে হবে হলুদ লাইনের ‘কুতুব মিনার’ স্টেশনে। কিন্ত কুতুব মিনার এই স্টেশন থেকে অনেক দূরে। স্টেশনের বাইরে শেয়ারে কুতুব মিনার যাবার জন্য টেম্পুওয়ালারা ডাকতে থাকে। ১০ অথবা ২০রুপির বিনিময়ে টেম্পুতে করে সহজেই পৌঁছানো যাবে কুতুব মিনারে।










৬। লোটাস টেম্পলঃ পদ্মফুলের আকৃতিতে তৈরী বিশাল একটি মন্দির যেটি বাহাই নামক সম্প্রদায়ের জন্য নির্মিত। তবে সকল ধর্মের মানুষ তাদের ব্যাক্তিগত উপাসনা করতে পারে এখানে। লোটাস টেম্পলে যেতে হলে নামতে হবে বেগুনি লাইনের ‘কালকাজি মন্দির’ স্টেশনে। এই টেম্পলটির পাশে রয়েছে সুদৃশ্য এক পার্ক। পার্কটিতে ঢুকলে সারাটা দিন শুধু সেখানেই কাটিয়ে দিতে ইচ্ছে হয়।




৭। হুমায়ুন’স টম্বঃ মোঘল বাদশা হুমায়ুনের কবর রয়েছে দিল্লীতে। প্রথম দর্শনে এটিকে তাজমহল বলে ভ্রম হয়। হুমায়ুন’স টম্বে যেতে হলে নামতে হবে ‘জে এল এন স্টেডিয়াম’ অর্থাৎ ‘জহুরু-লাল-নেহেরু স্টেডিয়াম’ স্টেশনে। ছবির চাইতেও সুন্দর সাজানো স্টেশন এটি। স্টেশন থেকে বের হয়ে ২০থেকে ৩০রুপির রিক্সা ভাড়ায় পৌঁছাতে হয় হুমায়ুন’স টম্ব।






৮। সেন্ট্রাল সেক্রেটারিয়েটঃ হলুদ ও বেগুনি লাইনের মিলিত স্টেশন হচ্ছে ‘সেন্ট্রাল সেক্রেটারিয়েট’। ‘ইন্ডিয়া গেট’, ‘রাস্ট্রপতি ভবন’ এবং ‘পার্লামেন্ট হাউজ’ সবগুলিই এই এলাকায় অবস্থিত। সবগুলি ভালোভাবে দেখতে হলে এই এলাকায় কমপক্ষে ৩ঘন্টা হাঁটতে হবে। আমি অবশ্য ভয়াবহ কুয়াশার জন্য ‘রাস্ট্রপতি ভবন’ এবং ‘পার্লামেন্ট হাউজ’ খুঁজে পায়নি। শুধু ‘ইন্ডিয়া গেট’ দেখেই সন্তুষ্ট থাকতে হয়েছে। এই এলাকাটি ঘুরে দেখতে একটুও ক্লান্ত লাগবে না। তাছাড়া ইন্ডিয়া গেট যাবার পথে রয়েছে ফাস্টফুড আর আইসক্রীমের হাজার হাজার ভ্রাম্যমাণ দোকান। দিল্লীবাসীরা তাদের বৈকালিক সময়টা এখানেই কাটায়।








সবগুলি জায়গা একদিনে ঘুরে প্রচন্ড ক্লান্ত আমি তাড়াতাড়ি রাতের খাবার খেয়ে হোটেলে ফিরে শুয়ে পড়লাম। কালকে আমাকে আরো ভোরে উঠতে হবে। কারণ এদিন আমার যাত্রা শুরু হবে আগ্রার উদ্দেশ্য।
নোট*( দর্শনীয় স্থানগুলোতে প্রবেশের জন্য দু’ধরনের টিকিট থাকে। একটি ভারতীয়দের জন্য, যেটি সাধারণত ১০ অথবা ২০রুপির আর অন্যটি বিদেশীদের জন্য যেটি ১৫০ থেকে ২৫০ রুপির হয়ে থাকে। এছাড়া কোন কোন জায়গায় ক্যামেরার জন্যও টিকিট কাটতে হয়। সবসময় ভারতীয় টিকিট কাটবার চেষ্টা করুন। টিকিট কাউন্টারে গিয়ে সর্বনিম্ন শব্দ ব্যায় করবেন। আপনি যে ভারতীয় নন এটা যেন তারা বুঝতে না পারে। মন থেকে অনুশোচনা দূর করে ফেলুন। কারণ এসব স্থাপনা যখন তৈরী হয়েছিল তখন ভারতীয় উপমহাদেশ একসাথে ছিল। অর্থাৎ এসব স্থাপনা তৈরীতে আমাদের পূর্বপুরুষদের অর্থও ব্যায় হয়েছে।)



ভাইয়া, আপনি যে আমার লেখা ঝেড়ে দিয়েছেন!!!!!
ReplyDeleteচরম লিখেছেন
ReplyDelete